বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ : বিএনপি পন্থি গুটি কয়েক চিকিৎসকের ছত্রছায়ায় গণহত্যাকারী স্বৈরাচারের দোসর চিকিৎসক ও নার্স ও কর্মকর্তা, কর্মচারীরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। গত ৪ আগষ্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার যখন সারাদেশে গণহত্যা চালিয়েছিল। ঠিক ওই সময় শেবাচিম হাসপাতালে আলীগপন্থী চিকিৎসক ও নার্স এবং কর্মকর্তা কর্মচারীরা মেডিকেল চত্বরে শান্তি সমাবেশ করেন।
অভিযোগ উঠেছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় হাসপাতালের পরিচালক ও স্টাফ অফিসার বদলি হলেও বহালতবিয়তে আছেন স্বৈরাচারের দোসর আরো অনেকেই। এ নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সারা দেশে যখন স্বৈরাচার হাসিনার সহযোগী পুলিশ, ছাত্রলীগ আলীগ সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা গণহত্যা চালায় তখনও প্রকাশ্যে এই গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বির্তকের জন্ম দেয় শেবাচিম হাসপাতালে স্বাচিপের কতিপয় নামধারী চিকিৎসক ও নার্সরা। গত জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলন চলে তখন শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসকের নামে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বরিশালের এজেন্ডাদের অর্থ দিয়ে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে।
শেবাচিম হাসপাতালে একাধিক সূত্র জানান, গত ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সহ তার দোসররা পালিয়ে যায়। তখন থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের স্বৈরাচার শেখ হাসিনার লেসপেন্সাররা পালিয়ে যায়। এমনকি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকে দীর্ঘ দিন। অবস্থা স্বাভাবিক হলে অপকর্মে যুক্ত চিকিৎসকরা সহ অন্যরা আবারও কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করে।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে বিরুদ্ধে শান্তি সমাবেশ করা চিকিৎসকরা ও অন্য আ’লীগের অপকর্মের সহযোগীরা কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করলে মেডিকেলে সাধারণ চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরপরই গত ২৯ সেপ্টেম্বর শের-ইবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্নি চিকিৎসকদের তোপের মুখে হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম পদত্যাগ পত্র দেন। এছাড়া ইন্টার্নি চিকিৎসকের হাসপাতালে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে বিএনপিপন্থী চিকিৎসক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. তালুকদার মুজিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে কোন মন্তব্য করেননি।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply